সুন্দরবনের অভয়ারণ্যে ঢুকে মাছ শিকার করায় আসাদুল সানা (৩৫), মিকাইল গাইন (৩৪) ও নাজিরুল গাজী (২৪) নামের তিন জেলেকে আটক করেছে বনবিভাগ। বুধবার দুপুরের দিকে সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্চের পুষ্পকাটি অভয়ারণ্যের মাইটের খাল থেকে তাদের আটক করা হয়। আটক জেলেরা যথাক্রমে শ্যামনগর উপজেলার সেন্ট্রাল কালিনগর ও কয়রা উপজেলার পাথরখালী গ্রামের বাসিন্দা। এসময় আটককৃতদের নিকট থেকে একটি ডিঙি নৌকাসহ মাছ ও মাছ শিকারের সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
সাতক্ষীরা রেঞ্জের রেঞ্জার মোঃ ফজলুল হক জানান জেলেরা বৈধভাবে সুন্দরবনে প্রবেশ করেছিল। কিন্তু অভয়ারণ্যে মাছ শিকারের সময় তাদের হাতেনাতে আটক করা হয়। এসময় আটক নাজিরুল এর পিতা আব্দুল করিম গাজীসহ পাঁচজন বনের গভীরে পালিয়ে যায়। আটকককৃতদের বন আইনের মামলায় কারাগারে পাঠানো হচ্ছে।
এদিকে স্থানীয়রা জানিয়েছে বনবিভাগের অভিযানের সময় বনের মধ্যে পালিয়ে যাওয়া আব্দুল করিম আত্মসমর্পণ করা জলদস্যু। স্থানীয় সেন্ট্রাল কালিনগরের আব্দুল্লাহর জেলে হিসেবে তারা বনে যেয়ে অভয়ারণ্যে ঢুকে মাছ শিকার করে। গত দুই সপ্তাহ আগেও আব্দুল্লাহর দুটি নৌকা অভয়ারণ্য থেকে আটক করেছিল বনকর্মীরা।
আব্দুল্লাহ ও অয়ন কোম্পানীর জেলেরা অপরাপর জেলেদের নিজেদের দলে ভিড়িয়ে নির্দিষ্ট অংকের বিনিময়ে সংঘবদ্ধভাবে অভয়ারণ্যে নৌকা পাঠাচ্ছে। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে অয়ন কোম্পানীর মালিক অয়ন গাজী জানান তিনি ও আব্দুল্লাহ পৃথকভাবে বনে নৌকা পাঠান। অভয়ারণ্যের প্রসংগে তিনি বলেন অভয়ারণ্য ছাড়া মাছ মেলে না। তাই মাঝে মধ্যে কিছু জেলেকে অভয়ারণ্যে পাঠিয়ে থাকে। বিষয়টি বনবিভাগকে জানানো হয় বঔের তার দাবি।