June 4, 2026, 9:31 pm
শিরোনাম :
কৈখালী ফরেস্ট স্টেশনে সচেতনতা মূলক সভা অনুষ্ঠিত সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে অস্ত্র, গোলাবারুদ, ডাকাতি ও বন্যপ্রাণী শিকারের কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামাদিসহ কুখ্যাত ডাকাত আটক কোস্ট গার্ডের অভিযানে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ ২১ জেলে উদ্ধার রমজান নগর ইউনিয়ন পরিষদে ফ্রেন্ডশিপের এডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত শ্যামনগরের ধুমঘাটে সংখ্যালঘু পরিবারে হামলা , থানায় অভিযোগ কোস্ট গার্ডের অভিযানে অস্ত্র, গোলাবারুদসহ ২ জন বনদস্যু আটক: ৪ জেলে উদ্ধার শ্যামনগরের কৈখালীতে রাস্তা নির্মানে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ সুন্দরবনে কুখ্যাত ডাকাত করিম শরীফ বাহিনীর সাথে কোস্ট গার্ডের বন্দুকযুদ্ধ, ৩ সক্রিয় সদস্য অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আটক। সুন্দরবনে দস্যুদের সাথে বন বিভাগের গুলি বিনিময়:হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ৪ জেলে উদ্ধার রমজাননগরে ফেইথ ইন এ্যাকশন সাসা টুগেদার প্রকল্পের স্টার্স্ট ধাপের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

শ্যামনগরে কৃষক নেতৃত্বে ধান জাত গবেষণার মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

নয়াডাক ডেস্ক :

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে কৃষক নেতৃত্বে ধান জাত গবেষণার মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নের মধ্য কৈখালী গ্রামে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক ও মধ্য কৈখালী আইপিএম কৃষি ক্লাবের আয়োজনে ১৬২টি স্থানীয় আমন ধানের জাত নিয়ে এ মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় কৃষক-কৃষাণী, কৃষক গবেষক দল, গ্রীন কোয়ালিশন প্রতিনিধি, বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের সদস্য, যুব, শিক্ষক, সাংবাদিক, সরকারি কর্মকর্তা এবং বারসিকের স্টাফরা অংশ নেন।
শ্যামনগর গ্রীন কোয়ালিশনের সভাপতি কৃষ্ণান্দ মুখার্জির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. নাজমুল হুদা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৫নং কৈখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিম, বারসিক ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য শিক্ষক-সাংবাদিক রনজিৎ বর্মণ।

মাঠ দিবসের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য তুলে ধরে বক্তব্য দেন বারসিক কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ মন্ডল, কৃষক নেতা লোকনাথ মন্ডল, নিমাই মন্ডল, হাবিবুর রহমান, বারসিকের সহযোগী আঞ্চলিক সমন্বয়কারী রামকৃষ্ণ জোয়ারদার, কৃষানী নাজমুন নাহার, ভগবতী রানী ও লুৎফর রহমান।

বক্তারা বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলে নিয়মিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ, লবণাক্ততা ও জলাবদ্ধতার কারণে ধান চাষ এক বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। একসময় এ অঞ্চলে বহু স্থানীয় ধানের সমাহার থাকলেও এখন হাইব্রিড ও উফশী জাতের উপর নির্ভরতা বেড়ে গেছে। স্থানীয় ধানের বহু জাত বিলুপ্তির পথে। এসব হারিয়ে যাওয়া ধানের জাত পুনরুদ্ধার, সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণে বারসিক এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। স্থানীয় জাত টিকিয়ে রাখতে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে তারা মন্তব্য করেন।

অংশগ্রহণকারী কৃষক নেতা নিমাই মন্ডল বলেন, “হাইব্রিড ও উফশী ধানের উৎপাদন বৃদ্ধিতে নানা সরকারি উদ্যোগ থাকলেও স্থানীয় জাত সংরক্ষণে তেমন উদ্যোগ নেই। খাদ্য নিরাপত্তা ও জলবায়ু সহনশীল কৃষির জন্য স্থানীয় জাত রক্ষা করা অপরিহার্য।”

অনুষ্ঠানের শুরুতে কৃষকরা গবেষণাধীন ধান প্লট পরিদর্শন করেন এবং জলাবদ্ধতা সহনশীলতা, লবণাক্ততা সহনশীলতা, কম সার প্রয়োজন, কম পোকামাকড়, ঘন গাঁথুনি, লম্বা শিষ, চিকন দানা ও সুগন্ধসহ বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে পছন্দের জাত নির্বাচন করেন।
কৃষকদের নির্বাচিত জাতগুলোর মধ্যে রয়েছে—আরমান, স্বর্ণমাশুরী, নারকেল মুচি, চিনিকানি, দারশাইল, তালমুগুর, মালাগেতী, দিশারী, নেপালি, পিঁপড়ার চোখ, সীতাভোগ ও পাটনাইসহ আরও কয়েকটি স্থানীয় ধানের জাত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা