July 28, 2026, 12:41 pm
শিরোনাম :
শ্যামনগরে ঝুুরঝুরি খাল আছে , নেই পানি নিষ্কাষনের ব্যবস্থা ।। জলাবদ্ধতায় হাজার বিঘা ধান্য ফসলের জমি মহাসড়কের উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করলেন মুহাদ্দিস রবিউল বাশার এমপি মাদার নদীর উপর অবস্থিত বাঁশের স্যাকোটি ব্রীজ করার দাবীতে এলাকাবাসী মানববন্ধন শ্যামনগরে র‍্যাবের অভিযানে বিপুল পরিমান মাদক জব্দ, আটক- ২ শ্যামনগরের নওয়াবেঁকী ফেরিঘাট এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ শামুক জব্দ করেছে বনবিভাগ শ্যামনগরে বর্জ্য ও স্যানিটেশন কর্মীদের সক্ষমতা বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ। শ্যামনগরে এমপি গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিক্ষোপ মিছিল কালিগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতে এক ব্যাক্তিকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড শ্যামনগর থানার নবাগত ওসির সঙ্গে পূজা উদযাপন ফন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ শ্যামনগর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবে নবাগত অফিসার ইনচার্জ এর সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

সরকারী বরাদ্দ ৩৩ লক্ষ টাকা নয়ছয় , শ্যামনগরে সেতু আছে নেই চলাচলের রাস্তা

ইদ্রিস,নিজস্ব প্রতিনিধি :

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে সরকারী বরাদ্দ ৩৩ লক্ষ টাকা নয়ছয় , সেতু আছে নেই চলাচলের রাস্তা ।সংযোগ সড়ক না থাকায় শ্যামনগরের টেংরাখালী দাউদ গাজীর বাড়ির সামনে সিমানার খালের ওপর নির্মিত পাকা সেতুটি এলাকাবাসীর কোনো কাজে আসছে না। সংযোগ সড়কের অভাবে পাঁচ থেকে ছয় গ্রামের বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীরা প্রতিদিনান ঝুঁকি নিয়ে নড়বড়ে বাঁশের মই দিয়ে সেতুর উপরে উঠে খাল পার হচ্ছে। গ্রামবাসীর অভিযোগ, সেতু নির্মাণের পর গ্রামবাসী অনেক আনন্দিত হয়েছিলেন। কিন্তু সেতুটির সংযোগ সড়ক না হওয়ায় গ্রামবাসীর সেই আনন্দ বেদনায় পরিণত হয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের অর্থায়নে উপজেলার ৬নং রমজাননগর ইউনিয়নের টেংরাখালী গ্রামে দাউদ গাজীর বাড়ির সামনে সিমানার খালের ওপরে নির্মিত হয়েছে প্রায় ৩৩ লাখ টাকার সেতুটি নির্মাণ করেছেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আরিফ এন্টারপ্রাইজ ,সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, টেংরাখালী গ্রামের রমজাননগর ও মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের খালের ওপর নির্মাণ করা হয়েছে সেতু। প্রায় এক মাস আগেই সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতু পার হতে এক’পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় সেতুটি পানিবেষ্টিত হয়ে পড়ে আছে। ফলে প্বার্শেখালী, মিরগাং, কালিঞ্চী, ঠাকুরঘেরী, টেংরাখালী, গ্রামের বাসিন্দারা খালের ওপর নির্মিত বাঁশের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পার হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা বাঁশের সাঁকো ভয়ে ভয়ে বই-খাতা,নিয়ে পার হচ্ছে। টেংরাখালী গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ গাজী বলেন, ‘সেতু করছে, কিন্তু সেতু পার হওয়ার কোনো রাস্তা নাই। কবে মাটি ফেলে রাস্তা করবে কে জানে, মোহাম্মদ গাজী আক্ষেপ করে আরো বলেন, এদেকে সেতু করতে গেয়ে ভেকু মেশিন দিয়ে গভীর করে মাটি কেটে নেওয়ার কারণে আমার বসত ঘর ভেঙ্গে খালে চলে গেছে। ঠিকাদার বা পিআইও অফিসকে বললেও কিছু বলছে না আমি এর প্রতিকার চাই। এ বিষয়ে শ্যামনগর উপজেলা প্রকল্প বাস্তাবায়ন কর্মকর্তা মিরাজ হোসেন বলেন , বিষয়টি ঠিকাদারকে জানানো হয়েছে। বৃষ্টি কমলেই সংযোগ রাস্তার কাজ শুরু করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা