সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গুমানতলী ফাযিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার শিক্ষক নূর আলমের বিরুদ্ধে ১১ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে।
নানা বাড়িতে থেকে লেখাপড়া করার সুবাদে ওই শিক্ষককের কাছে প্রাইভেট পড়ত শিশুটি। পরিবারের অভিযোগ, প্রায় সাত মাস আগে প্রাইভেট পড়ানোর সময় কৌশলে জুসের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে শিশুটিকে অচেতন করে ধর্ষণ করা হয়। বর্তমানে শিশুটি প্রায় ৩০ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা বলে পরিবার জানিয়েছে।
ধর্ষণের পাশাপাশি এই ঘটনার সঙ্গে আরও কয়েকজন জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত শিক্ষক ছাড়াও গুমানতলী মাদ্রাসার ছাত্র আবু হাসান ও হযরত আলীর বিরুদ্ধে শিশুটির আপত্তিকর ভিডিও ধারণ এবং সেই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল ও নানাভাবে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
রোববার দুপুরে শিশুটির পরিবার ও স্বজনরা শ্যামনগর থানায় গিয়ে পুরো বিষয়টি পুলিশকে জানান। এ বিষয়ে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী জানিয়েছেন যে, তারা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছেন এবং ভুক্তভোগী শিশুটি হাসপাতাল থেকে ফেরার পর লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।